মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

জাতিগোষ্ঠী

প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সাইনো তিব্বতী মঙ্গোলয়ড ১৪ টি জাতিগোষ্ঠী এখানে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করেছে। প্রায় ৫,০০,০০ (পাঁচ লক্ষ)জনসংখ্যার অভিবাসী উপজাতি এবং বিপুল সংখ্যক বাঙালি।

১৪ টি জাতিগোষ্ঠীঃ
১. চাকমা
৮. খিয়াং
২. মারমা
৯. বম
৩. ত্রিপুরা
১০. খুমি
৪. তঞ্চঙ্গ্যা
১১. চাক
৫. লুসাই
১২. গুর্খা
৬. পাংখো
১৩. আসাম
৭. ম্রো
১৪. সানতাল

 

ইতিহাস

বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের অংশ। এই অঞ্চলটি ১৫৫০ সালের দিকে প্রণীত বাংলার প্রথম মানচিত্রে বিদ্যমান ছিল। তবে এর প্রায় ৬০০ বছর আগে ৯৫৩ সালে আরাকানের রাজা এই অঞ্চল অধিকার করেন। ১২৪০ সালের দিকে ত্রিপুরার রাজা এই এলাকা দখল করেন। ১৫৭৫ সালে আরাকানের রাজা এই এলাকা পুণর্দখল করেন, এবং ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত অধিকারে রাখেন। মুঘল সাম্রাজ্য ১৬৬৬ হতে ১৭৬০ সাল পর্যন্ত এলাকাটি সুবা বাংলার অধীনে শাসন করে। ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই এলাকা নিজেদের আয়ত্তে আনে। ১৮৬০ সালে এটি ব্রিটিশ ভারতের অংশ হিসাবে যুক্ত হয়। ব্রিটিশরা এই এলাকার নাম দেয় চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট্‌স বা পার্বত্য চট্টগ্রাম। এটি চট্টগ্রাম জেলার অংশ হিসাবে বাংলা প্রদেশের অন্তর্গত ছিলো। মূলত চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস রেগুলাসন ১৯০০ দ্বারা এই অঞ্চল আনুষ্ঠানিকভাবে আরাকান রাজ্যের অংশ থেকে ততকালীন ব্রিটিস সাম্রাজ্য-এর আওতায় আসে এবং বান্দরবান সার্কেল, রাঙ্গামাটি সার্কেল ও খাগড়াছড়ি সার্কেল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রত্যেক সার্কেলে, সার্কেল চীফ বা রাজা নিযুক্ত করা হয়। তবে বোমাং রাজ পরিবার ১৬ শতক থেকেই এই অঞ্চল শাসন করছিল। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে এই এলাকা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটি বাংলাদেশের জেলা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। আশির দশকের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি জেলা- রাঙামাটি, বান্দরবান, ও খাগড়াছড়ি-তে বিভক্ত করা হয়।

 

নামকরণ

বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এখানকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপ কথায় আছে অত্র এলাকায় একসময় বাস করত অসংখ্য বানর । আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশ মুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃ্দ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পাড় হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া হিসাবে । অর্থ্যাৎ মার্মা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছিঃ অর্থ বাঁধ । কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে । বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রুপ লাভ করেছে। তবে মার্মা ভাষায় বান্দরবানের প্রকৃত নাম রদ ক্যওচি ম্র।

 

বান্দরবান জেলা ৭টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হলো:

  1. আলীকদম উপজেলা
  2. থানচি উপজেলা
  3. নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা
  4. বান্দরবান সদর উপজেলা
  5. রুমা উপজেলা
  6. রোয়াংছড়ি উপজেলা
  7. লামা উপজেলা

 

২টি পৌরসভা রয়েছে, সেগুলো হলঃ

  1. বান্দরবান পৌরসভা (ক শ্রেণী)
  2. লামা পৌরসভা (গ শ্রেণী)
মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৩৩ টি, সেগুলো হলঃ
বান্দরবান সদর=৫টি
রুমা=৪টি
রোয়াংছড়ি=৪টি
থানচি=৪টি
লামা=৭টি
নাইক্ষ্যংছড়ি=৫টি
আলীকদম=৪টি
১.বান্দরবান ইউনিয়ন,
২.কুহালং,
৩.সুয়ালক,
৪.টংকাবতী,
৫.রাজবিলা,
 
১.পাইন্দু,
২.রুমা সদর,
৩.রেমাক্রী প্রাংসা,
৪.গালেংগ্যা,

 

১.রোয়াংছড়ি,
২.তারাছা,
৩.নয়াপতং,
৪.আলেক্ষ্যং,
১.থানছি,
২.রেমাক্রী
৩.তিন্দু,
৪.বলিপাড়া,
১.আলীকদম,
২.লামা,
৩.গজালিয়া,
৪.সরই,
৫.রুপসীপাড়া,
৬.ফাসিঁয়াখালী,
৭.ফাইতং,
১.নাইক্ষ্যংছড়ি,
২.বাইশরী,
৩.দোছড়ী,
৪.ঘুমধুম,
৫.সোনাইছড়ি,
১.আলীকদম,
২.চৈক্ষ্যং,
৩.নয়াপাড়া,
৪.ফানুস,

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter